রাজনৈতিক

Postal Ballot | লোকসভা নির্বাচনের আগেই বদল পোস্টাল ব্যালটের সর্বনিম্ন বয়স! ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে কমপক্ষে বয়স হতে হবে ৮৫!

Postal Ballot | লোকসভা নির্বাচনের আগেই বদল পোস্টাল ব্যালটের সর্বনিম্ন বয়স! ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে কমপক্ষে বয়স হতে হবে ৮৫!
Key Highlights

নির্বাচন পরিচালনা সংক্রান্ত আইন ১৯৬১-এর কিছু রদবদল করেছে। আগে পোস্টার ব্যালটে ৮০ বছর বয়স হলেই পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়া যেত। এবার সেই বয়সটা বাড়িয়ে ৮৫ করা হয়েছে।

সামনেই লোকসভা নির্বাচন ২০২৪ (Loksabha Election 2024), একাধিক রাজ্যে আবার বিধানসভা নির্বাচনও। এই আবহে পরিবর্তন করা হলো পোস্টাল ব্যালট (Postal Ballot) এ গিয়ে ভোট দেওয়ার সর্বনিম্ন বয়স। আগে ৮০ বছর বয়স হলেই পোস্টাল ব্যালটে গিয়ে ভোট দিতে হতো। তবে এবার সেই বয়স বাড়িয়ে করা হলো ৮৫!


 শুক্রবার ভারত সরকার নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে নির্বাচন পরিচালনা সংক্রান্ত আইন ১৯৬১-এর কিছু রদবদল করেছে। আগে পোস্টার ব্যালটে ৮০ বছর বয়স হলেই পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়া যেত। এবার সেই বয়সটা বাড়িয়ে ৮৫ করা হয়েছে। এদিকে পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ৮০ বছরের উপর সিনিয়র সিটিজেন রয়েছেন প্রায় ১.৭৫ কোটি। আর ৮০-৮৫ বছর বয়সের মধ্যে রয়েছেন ৯৮ লাখ। তবে নয়া নিয়ম অনুসারে এবার পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার জন্য কমপক্ষে বয়স হতে হবে ৮৫ বছর। সেক্ষেত্রে এবার বাকি ৭৭ লাখ প্রবীণ মানুষের কাছে পোস্টাল ব্যালট (Postal Ballot) পৌঁছবে।

Conduct of Election Rules 1961-কে কিছুটা সংশোধন করে এই নয়া উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য আগে সর্বনিম্ন বয়স ৮০ হলেই হত। এবার আর সেটা হচ্ছে না। এবার পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য বয়স সর্বনিম্ন হতে হবে ৮৫ বছর। তবেই তিনি পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে পারবেন। বলা হচ্ছে ৮০ বছর বয়সিরাও যাতে ভোট প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে পারেন সেটা দেখা হবে। তবে এই উদ্যোগের ফলে মনে করা হচ্ছে যে প্রবীণ নাগরিকরা ঘর থেকে বেরিয়ে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এতে ভোটদানের হারও বাড়তে পারে। পাশাপাশি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় তাঁরা সরাসরি অংশগ্রহণ করতে পারবেন।


প্রসঙ্গত, এখনও প্রকাশ হয়নি লোকসভা নির্বাচন ২০২৪ এর তারিখ (Loksabha Election 2024 Date)। তবে ইতিমধ্যেই কোমড় বেঁধে লোকসভা নির্বাচন ২০২৪ (Loksabha Election 2024) যুদ্ধের মাঠে নেমে পড়েছে রাজনৈতিক দলগুলি। এদিকে বয়স্ক মানুষদের মধ্যে ভোট দেওয়ার প্রবণতা যথেষ্ট বেশি দেখা যায়। এমনকী অনেকের আবার ভোট এলে বেশ খুশিই হন। কারণ অনেকের কাছেই ভোট দিতে যাওয়ার বিষয়টি হল বাইরে বের হওয়ার একটা বাহানা, রাজনীতির একটু ছোঁয়া পাওয়া। সেক্ষেত্রে ভোট দেওয়ার প্রতি তাঁদের বাড়তি একটা আগ্রহ থাকে। তাছাড়া এটা একটা ধারণা করা হয় যে যাঁরা স্বাধীনতা দেখেছিলেন তাঁদের ভোট দেওয়ার প্রতি একটি আগ্রহ অতিরিক্ত থাকে। মানে দেশ গঠনের একটা ব্যাপার থাকে। আবার ভোট মানেই গণতন্ত্রের সবথেকে বড় উৎসব। সেই উৎসবে শামিল হতে চান অনেকেই।কিছুক্ষেত্রে পরিবারের লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে বয়স্করা এই ভোট উৎসবে শামিল হন। ফলে পোস্টাল ব্যালটে গিয়ে ভোট দেওয়ার সর্বনিম্ন বয়স পরিবর্তন হাওয়ার ঘটনাকে অনেকেই ইতিবাচক ভাবেই নিচ্ছেন।