WB Swasthya Sathi: স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের ইতিবৃত্ত

Thursday, April 28 2022, 12:30 pm
highlightKey Highlights

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গরীবদের স্বাস্থ্য ও চিকিৎসার কথা মাথায় রেখে নিয়ে এসেছেন 'স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প', আসুন জেনে নেওয়া যাক এই প্রকল্প কিভাবে রাজ্যবাসীকে সাহায্য করছে।


ভূমিকা | Introduction of Swasthya Sathi

মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে চালু হওয়া চালু হওয়া 'স্বাস্থ্যসাথী' প্রকল্প 'পরিবার'-এর সংজ্ঞাটাই বদলে দিয়েছে; বৃহত্তর আকার নিয়েছে পরিবারের বৃত্তটি। এতদিন যাবৎ সাধারণ ভাবে কোনও স্বাস্থ্য প্রকল্পে  সুবিধা-প্রাপকেরা হতেন তাঁরা , যার নামে বিমা করা হয়েছে। তিনি এবং তাঁর স্বামী বা স্ত্রী এবং তাঁদের নাবালক সন্তানরা এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে তাঁদের বাবা~ মায়েরাও অন্তর্ভুক্ত থাকতেন সেই প্রকল্পে । কিন্তু এই নতুন প্রকল্পটিতে অর্থাৎ স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে ‘পরিবার’ হিসেবে ঢোকানো হয়েছে বিমাকারীর শ্বশুর এবং শাশুড়িকেও। কার্ড দেওয়া হয়ে থাকে গৃহকর্ত্রীর নামে এবং সেই কার্ডের আওতায় থাকবেন পরিবারের বাকি সদস্যরা।হাসপাতালে ভর্তির কারণে ভয়াবহ ব্যয় থেকে পরিবারের সকলকে এবং পশ্চিমবঙ্গের সকল বাসিন্দাদের সুরক্ষার কথা ভেবে সবার জন্য ‘স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্প’ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর। 

স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পটি আনুষ্ঠানিকভাবে ৩০ ডিসেম্বর ২০১৬ সালে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বারা চালু করা হয়েছিল। তবে অন্য কোনও সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবার আওতায় থাকলে গ্রাহকরা এই সুবিধে পেতে পারবেন না ৷স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পটির কথা ঘোষণা করার পরে অর্থাৎ ২০১৮ সাল থেকে রাজ্য সরকারের দ্বারা নিঃশুল্ক স্বাস্থ্য বীমা যোজনা রূপে স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পটিকে বাস্তব রূপায়ন করা হয়।তবে প্রকল্পটিকে নিঃশুল্ক সরকারি স্বাস্থ্য বীমা রূপে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয় ইংরেজী ২০২০ সালের নভেম্বর মাস থেকে 'দুয়ারে সরকার' কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে।

প্রধান সচিবের সভাপতিত্বে একটি রাজ্য পর্যায়ের বাস্তবায়ন কমিটি (এসএলআইসি) গঠন করা হয়।

এই প্রকল্পটি তদারকি এবং পর্যবেক্ষণের জন্য "স্বাস্থ্য সাথী সমিতি" নামে একটি নিবন্ধিত সমিতি রয়েছে । (রেজিস্ট্রেশন নম্বর  S/M/4377)॥ 

স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি | The main features of Swasthya Sathi

  1. সেকেন্ডারি এবং টারশিয়ারি রক্ষণাবেক্ষণ এর জন্য পরিবার প্রতি বছরে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত প্রাথমিক স্বাস্থ্য কভার করা।
  2. বীমা মোডের মাধ্যমে দেড় লক্ষ টাকা এবং আশ্বাস মোডের মাধ্যমে দেড় লাখ থেকে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত প্রদান করার কথা ঘোষণা।
  3. প্রকল্প টি ২০১৭ সালের ১লা ফেব্রুয়ারি রোল আউট হওয়া শুরু হয়। ২০১৮ সালের ২৮শে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত NIC নটি জেলায় এবং UIIC ১১ টি জেলায় ইন্সুরেন্স পার্টনার হিসেবে কাজ করে থাকে। ২০১৮ সালের মার্চ মাসে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন আশ্বাস মোদের অধীনে করা হয়। ২০১৮ সালের ১ এপ্রিল থেকে বাজাজ আলিয়ান্স কে ১৮ টি জেলায় এবং ইফকো টোকিও কে পাঁচটি জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়।

স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের লক্ষ্য | Aim of Swasthya Sathi

 পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি বাসিন্দার সার্বজনীন স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষার লক্ষ্যে রাজ্যের সমাজের বৃহত্তর অংশের জন্য ধীরে ধীরে স্বাস্থ্যসেবা কভারেজ সরবরাহ করাই এর প্রধান লক্ষ্য।

স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের উদ্দেশ্য | Purpose of Swasthya Sathi scheme

 *রাজ্যের জনসংখ্যার একটা বড় অংশ সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করে যা সম্পূর্ণরূপে বিনামূল্যে , তা সত্বেও এক বড় সংখ্যায় মানুষ প্রাইভেট হাসপাতাল গুলিতে ও তাদের চিকিৎসা করিয়ে থাকেন যার ফলে তাদের চিকিৎসার জন্য বড় অংকের অর্থ খরচ হয়ে যায়। স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পটির মাধ্যমে রাজ্য সরকার তার সাধ্যমত প্রত্যেকটি পদক্ষেপ নিচ্ছে যাতে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরো উন্নত করা যায়।

কলকাতার প্রায় অর্ধেক স্থানেই সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল স্থাপনের মাধ্যমে রাজ্য সরকার স্বাস্থ্য অবস্থার উন্নতির জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা গ্রহণ করেছে এবং এর মাধ্যমে ন্যায্যমূল্যের ওষুধের দোকান, ন্যায্য মূল্যের ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ৫০ কিলোমিটার এর মধ্যে ক্রিটিকাল কেয়ার ইউনিট সুবিধাগুলি চালু করে দারিদ্র্য  জনগণের দুর্বলতা হ্রাস করতে পারে সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে এবং তার সাথেই গ্রামীণ অঞ্চলে আরও অনেক নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে । স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পটির একটি লক্ষণীয় উদ্যোগ হ'ল এই যে এটি যুক্তিসঙ্গত ব্যয়ে মানসম্পন্ন সেবা নিশ্চিত করেছে এবং এর জন্য ক্লিনিকাল ইউনিট স্থাপন করেছে এবং নিয়ন্ত্রণ কমিশন ও গঠন করেছে।

স্বাস্থ্য সাথী কার্ডের উদ্দেশ্য | Purpose of Swasthya Sathi health card

  1. উন্নত মানের স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রত্যেক রাজ্য বাসীর ঘরের দুয়ারে পৌঁছে দেওয়া। 
  2. যে সমস্ত পরিবারের স্বাস্থ্য সাথী কার্ডটি থাকবে তারা বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবার সুবিধা পাবেন।

স্বাস্থ্যসাথীর ফর্ম কীভাবে ভর্তি করতে হবে | How to fill up form for Purpose of Swasthya Sathi 

স্বাস্থ্য সাথী কার্ড এর উপরে যে ১৭ অংকের সংখ্যাটি থাকে সেটা হলো ইউ আর এন নম্বর (URN No) । যিনি পরিবারের প্রধান কার্ড হোল্ডার তিনি হলেন প্রথম সদস্য ~১নম্বর । তারপর পর পর ২,৩,৪... এইভাবে লিস্টেড থাকেন।

প্রথম বক্সটিতে আবেদনকারীকে ১৭ অংকের বিশেষ সংখ্যাটি লিখতে হবে এবং তার নিচের বক্সটিতে তাঁকে ১ অথবা ২ অথবা ৩ অথবা ৪ ... এইভাবে লিখতে হবে।

স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প কাদের জন্য ?

স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের আওতায় রয়েছেন মূলত সরকারি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত স্বল্প বেতনের অস্থায়ী ও চুক্তিভিত্তিক কর্মীরা। যেমন আশা-কর্মী, আইসিডিএসের কর্মী, স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্য, সিভিক ভলান্টিয়ার, গ্রিন পুলিশ, হোমগার্ড, ভিলেজ ভলান্টিয়ার প্রকৃতিক গোষ্ঠীর মানুষজনেরা। 

কর্মসূচি এবং রূপায়ণ | Program and implementation of Swasthya Sathi 

স্বাস্থ্য দফতর খবর অনুযায়ী স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে সুবিধা-প্রাপকদের তালিকায় শ্বশুর-শাশুড়িরা অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সাথে সাথেই জেলায় জেলায় রীতিমতো সাড়া পড়ে গিয়েছে। ১ ফেব্রুয়ারি যে প্রকল্পটি চালু হয় তা প্রথম ১৫ দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত সফলতা লাভ করে । অন্তত ১২০০ জন এই প্রকল্পের আওতায় চিকিৎসার সুযোগ নিয়েছেন। উক্ত চিকিৎসাধীন ব্যক্তির মধ্যে স্বাস্থ্যসাথীর কার্ডধারী কর্মীর শ্বশুর বা শাশুড়ি হিসেবে চিকিৎসার সুবিধা পেয়েছেন, এমন রোগীর সংখ্যা প্রায় ২৫০।

স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে টোল ফ্রি নম্বর (যেকোনো সহায়তার জন্য ) | Toll free no of Swasthya Sathi

Helpline No: 18003455384 (Toll Free)

স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পটির জন্য বিশদ জানতে হলে এই লিংকটিতে ক্লিক করুন link~https://swasthyasathi.gov.in/

স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের সুবিধে | Benefits of Swasthya Sathi 

স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের অন্যতম প্রধান সুবিধা হল এটি একটি পেপারলেস, ক্যাশলেস, স্মার্ট কার্ড ভিত্তিক পেমেন্ট।

পরিবারের আকারের সর্বোচ্চ সীমা নেই এবং উভয় স্বামী অথবা স্ত্রীর পিতামাতাকে এই প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।  এছাড়া ও পরিবারের সমস্ত নির্ভরশীল শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরাও প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত হবার সুযোগ লাভ করতে পারবেন।

উক্ত প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার আগে থেকেই যদি আপনার কোন রোগ থেকে থাকে সেটি ও এই স্কিমের অন্তর্ভুক্ত বিনামূল্যে চিকিৎসা আপনি করাতে পারেন।

 সরকারি এই বিশেষ স্বাস্থ্য প্রকল্পের পুরো প্রিমিয়ামটি রাজ্য সরকার বহন করে এবং সুবিধাভোগীর কোনও অর্থব্যয় করতে হয় না।

তালিকাভুক্তির দিন প্রত্যেক টি পরিবারকে অনলাইন  স্বাস্থ্যসাথী স্মার্ট কার্ড সরবরাহ করা হয়ে থাকে।

এই প্রকল্পের পরিচালনার প্রথম দিন থেকেই কাগজবিহীন আইটি প্ল্যাটফর্মে অর্থাৎ অনলাইন সার্ভার এর মাধ্যমে কাজ করা হয়।হাসপাতালের অনলাইন এমপ্যানেলমেন্ট এবং গ্রেডেশন এর ব্যবস্থাও করা হয়।

কার্ডের ব্যবহার সপ্তাহে সাতদিন ২৪ ঘন্টায় অনলাইনের মাধ্যমে করা সম্ভব।কার্ড ব্যবহারের জন্য পূর্ব থেকেই সরকারী অনুমোদন দেওয়া থাকে ।

উপভোক্তা কে সতর্ক করার জন্য ও কার্ড ব্লক করার জন্য এসএমএস এর জন্য বিশেষ নম্বরের সুবিধা রয়েছে।

 হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার সময় রোগীর ই-স্বাস্থ্য রেকর্ডের রিয়েল টাইম তথ্য আপলোডের বিশেষ সুবিধা ও প্রদান করা হয়ে থাকে।

পরিবারপিছু ৫ লক্ষ টাকার ক্যাশলেস চিকিৎসার সুযোগ এবং তার সাথে সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালে মিলবে এই প্রকল্পের সুবিধা।

উপভোক্তা যদি স্বাস্থ্য সাথীর স্মার্ট কার্ড দেখাতে পারে তাহলে মিলবে ক্যাশলেস চিকিৎসার পরিষেবা। 

স্বাস্থ্যসাথীর "স্মার্ট কার্ড" এর জন্য কী কী লাগে | What it takes for Swasthya Sathi Smart card

স্মার্ট কার্ড প্রধান করার জন্য যা যা আবশ্যক সেগুলি হল : পরিবারের সদস্যদের বিশদ বিবরণ, ফটোগ্রাফ, বায়োমেট্রিক, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর এবং তার সাথে এসইসিসি আইডি ক্যাপচার করা হয়ে থাকে।

স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের সুবিধা কোথায় পাওয়া যাবে | From Where Swasthya Sathi benefits can be found

রাজ্যের সব সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি বহু বেসরকারি হাসপাতাল, দিল্লির এইমস এবং ভেলোরে স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের সুবিধা নেওয়া যেতে পারে।

কোন কোন হাসপাতাল থেক রোগীরা স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের সুবিধা ভোগ করতে পারবেন সে ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন https://helpline.swasthyasathi.gov.in/ssHospitalDdetails.aspx

স্বাস্থ্য সাথী কার্ডে কারা কারা আবেদন করতে পারবে | Eligibility for Swasthya Sathi 

১) পশ্চিমবঙ্গে বসবাসকারী যে সমস্ত পরিবারের স্বাস্থ্য সাথী কার্ড নেই।

২) যদি পরিবারের কোনো সদস্য রাজ্য সরকার কিংবা কেন্দ্র সরকারের হেলথ স্কিমে অন্তর্ভুক্ত না থাকেন কিংবা ই এস আই বা সরকার পোষিত কোনো হেলথ ইন্সুরেন্স এ নাম নথিভুক্ত করা না থাকে; তারা পাবেন এই কার্ড।

৩) সরকার বা সরকারি সংস্থা থেকে বেতন পান তবে চিকিৎসা ভাতা লাভ করেন না, এমন পরিবার ও স্বাস্থ্য সাথী কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

স্বাস্থ্য সাথী কার্ডে নাম চেক | Check you name on Swasthya Sathi card

স্বাস্থ্য সাথী কার্ডে নিজের পরিবারের কিংবা নিজের নাম নথিভুক্ত আছে কি না চেক করার জন্য https://swasthyasathi.gov.in স্বাস্থ্য সাথী অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যান এবং এরপর Find Your Name এ ক্লিক করে নাম চেক করুন।

॥কারা বাদ পড়বেন স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্প থেকে॥

  1. পরিবারের কোনো সদস্য যদি সরকার পোষিত স্বাস্থ্যবীমার (CGHS, WBHS, ESI, etc) উপভোক্তা হন তাহলে তারা এই প্রকল্পে আবেদন করতে পারবেন না।
  2. যে সমস্ত ব্যক্তিরা সরকার বা সরকারি সংস্থা থেকে বেতন এর সাথে চিকিৎসা ভাতা অর্থাৎ মেডিক্যাল অ্যালাওয়েনস পেয়ে থাকেন তারা এই প্রকল্পে যুক্ত হতে চাইলে চিকিৎসা ভাতা পাবেন না। 

স্বাস্থ্য সাথী কার্ডের আবেদন পদ্ধতি | Application process of Swasthya Sathi 

দুয়ারে সরকার ক্যাম্প এ গিয়ে আপনাকে ফরম বি পূরণ করে জমা করতে হবে। 

  1.  আবেদন করতে হবে অফলাইনে।
  2. স্বাস্থ্য সাথী কার্ড পাওয়ার জন্য ফর্ম বি পূরণ করতে হবে।
  3. আবেদনকারী ও পরিবারের সকল সদস্যের নাম ঠিকানা ফর্মে সঠিক ভাবে লিখতে হবে।
  4. ফর্মে বৈধ মোবাইল নাম্বার উল্লেখ করা একান্ত বাঞ্ছনীয় ।
  5. খাদ্য সাথী কিংবা আধার কার্ড এর প্রতিলিপি কমা করতে হবে।
  6. খাদ্য সাথী বা আধার কার্ড না থাকলে সরকারি যে কোনো সচিত্র পরিচয় পত্র জমা দেওয়া যেতে পারে।

স্বাস্থ্যসাথীর ফর্ম (ফর্ম B) | Swasthya Sathi application form

এই লিংকে ক্লিক করে ডাউনলোড করতে পারবেন :

স্বাস্থ্য সাথী কার্ড ও চিকিৎসা নিয়ে কোনে অভিযোগ জানানোর জন্য যোগাযোগ করুন | Complaint against Swasthya Sathi 

উপভক্তার কোন রকম অভিযোগ থাকলে — জেলা সদর দপ্তরে যোগাযোগ করুন অথবা আমাদের ওয়েবসাইট https://swasthyasathi.gov.in  এ গিয়ে আপনার অভিযোগ নথিভুক্ত করুন অথবা আমাদের কল সেন্টারের শুল্কমুক্ত এই নং ১৮০০-৩৪৫-৫৩৮৪ – এ অভিযোগ নথিভুক্ত করুন।

আরো জানতে হলে যোগাযোগ করুন জেলা নদাল অফিসার (DNO) ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক ও গ্রাম পঞ্চায়েতে।

পরিশিষ্ট:

স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের এবং গর্বের একটি প্রকল্প । 

কিন্তু অনেক সময় স্বাস্থ্যসাথী তালিকায় নাম থাকা হাসপাতাল থেকে রোগীদের ফিরিয়ে দেবার অভিযোগ উঠে থাকে । তাই মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী বলিষ্ঠ পদক্ষেপ নিয়েছেন এবং তাঁর বিবৃতিতে জানিয়ে দিয়েছেন যে রাজ্যের স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে যে যে বেসরকারি হাসপাতালের নাম রয়েছে তালিকায়, তারা যদি গরিব মানুষকে পরিষেবা না দিয়ে ফিরিয়ে দেয়, তাহলে লাইসেন্স বাতিল হতে পারে বলে ।প্রত্যেকটি মানুষের শুভবুদ্ধি জাগ্রত হলে এইপ্রকল্পটি তার মহৎ উদ্দেশ্য পূরণের পথে ও সাফল্যের পথে বেশ কয়েক ধাপ এগিয়ে যাবে তা নিশ্চিত!! 

প্রশ্নোত্তর - Frequently Asked Questions

স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের অধীনে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে কি কোনো টাকা দিতে হবে?

স্বাস্থ্য সাথী একটি ক্যাশলেস স্কিম এবং ৫,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসার খরচ (প্রতি পরিবারে বছরে পাঁচ লাখ টাকা) স্মার্ট কার্ড থেকে হাসপাতালকে প্রদান করা হবে। স্বাস্থ্যসাথী স্কীমের অধীনে চিকিৎসার জন্য কোন পেমেন্ট করার প্রয়োজন নেই।

ঔষধের জন্য উপকারভোগীর কোন খরচ আছে কি?

না। স্বাস্থ্য সাথীর অধীনে সমস্ত চিকিৎসার জন্য, ওষুধের খরচ প্যাকেজের অন্তর্ভুক্ত।

কোন ধরনের হাসপাতাল এই তালিকার অংশ হবে?

যোগ্যতার মানদণ্ডের উপর ভিত্তি করে, সরকারী এবং বেসরকারী উভয় হাসপাতালগুলি কেই তালিকাভুক্ত করা হয়। হাসপাতালগুলির উপলব্ধ সুবিধা এবং অবকাঠামো অনুসারে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়, যেমন গ্রেড এ, গ্রেড বি, গ্রেড সি এবং গ্রেড আর। সুবিধাভোগীর হাসপাতালগুলি বেছে নেওয়ার বিকল্প রয়েছে যেখানে তারা যেতে চায়। আপনি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে বা আমাদের ওয়েবসাইট ব্যবহার করে হাসপাতালগুলিতে উপলব্ধ সুবিধাগুলি অনুসন্ধান করতে পারেন।

স্বাস্থ্য সাথীর অধীনে চিকিৎসার জন্য উপকারভোগীরা কোন হাসপাতালে যেতে পারেন?

তালিকাভুক্তির সময় হাসপাতালগুলির একটি তালিকা (সরকারি এবং বেসরকারি উভয়ই) দেওয়া হয়, হাসপাতালের পুস্তিকা থেকে এটি পরীক্ষা করে নিতে পারেন স্মার্ট কার্ড সহ প্রদত্ত হেল্পলাইন নম্বরে কল ও করতে পারেন। এছাড়াও আপনি আমাদের ওয়েবসাইট https://swasthyasathi.gov.in এ এটি অনুসন্ধান করতে পারেন।




Contents ( Show )

পিডিএফ ডাউনলোড | Print or Download PDF File