Noboborsho | রাতে না ভোরে? কখন জানাবেন শুভ নববর্ষের শুভেচ্ছা? কী বলছে ইতিহাস?

Key Highlights১লা বৈশাখ বঙ্গাব্দের প্রথম দিন, তথা বাংলা নববর্ষ (noboborsho)। এই দিনটি সব বাঙালি জাতির ঐতিহ্যবাহী বর্ষবরণের দিন। চান্দ্রসৌর পঞ্জিকা অনুসারে ইংরেজি ২০২৬ সালের ১৫ই এপ্রিল বুধবার বাংলার নববর্ষ ১৪৩৩। বাংলা নববর্ষের ইতিহাস বা কবে থেকে বাংলা বর্ষের হিসাব শুরু এই বিষয়ে বিভিন্ন মত থাকলেও, কর বা রাজস্ব আদায়ের জন্য বাংলা বর্ষের মত বিশেষ গ্রহণযোগ্য। কিন্তু অনেকেরই প্রশ্ন, বাংলা নববর্ষ শুরু হয় কখন? অনেকে বলেন বাংলা নববর্ষ শুরু হয় ভোরে। আবার কেউ বলেন রাত ১২টা বাজতেই শুরু হয় নববর্ষ। তাহলে কখন প্রিয়জনদের জানাবেন শুভ নববর্ষের (subho noboborsho) শুভেচ্ছা?
১লা বৈশাখ বঙ্গাব্দের প্রথম দিন, তথা বাংলা নববর্ষ (noboborsho)। এই দিনটি সব বাঙালি জাতির ঐতিহ্যবাহী বর্ষবরণের দিন। চান্দ্রসৌর পঞ্জিকা অনুসারে ইংরেজি ২০২৬ সালের ১৫ই এপ্রিল বুধবার বাংলার নববর্ষ ১৪৩৩। বাংলা নববর্ষের ইতিহাস বা কবে থেকে বাংলা বর্ষের হিসাব শুরু এই বিষয়ে বিভিন্ন মত থাকলেও, কর বা রাজস্ব আদায়ের জন্য বাংলা বর্ষের মত বিশেষ গ্রহণযোগ্য। কিন্তু অনেকেরই প্রশ্ন, বাংলা নববর্ষ শুরু হয় কখন? অনেকে বলেন বাংলা নববর্ষ শুরু হয় ভোরে। আবার কেউ বলেন রাত ১২টা বাজতেই শুরু হয় নববর্ষ। তাহলে কখন প্রিয়জনদের জানাবেন শুভ নববর্ষের (subho noboborsho) শুভেচ্ছা?

আরও পড়ুন : রাত পোহালেই শুরু বাংলা নববর্ষ, পয়লা বৈশাখে কখন করবেন লক্ষ্মী-গণেশের পুজো? জানুন শুভ তিথি-সময়!
উইকিপিডিয়া বলছে, পয়লা বৈশাখ রাত ১২টা থেকে না কি, সূর্যোদয় থেকে শুরু, এ নিয়ে ভিন্নমত রয়েছে। ঐতিহ্যগতভাবে সূর্যোদয় থেকে বাংলা দিনগণনার রীতি থাকলেও ১৪০২ বঙ্গাব্দের ১ বৈশাখ (১৯৯৫ সাল) থেকে বাংলা একাডেমি এই নিয়ম বাতিল করে আন্তর্জাতিক রীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে রাত ১২টায় দিনগণনা শুরুর নিয়ম চালু করে। এদিকে বাংলা পঞ্জিকাকে বিজ্ঞানভিত্তিক করার জন্য তিনবার সংস্কার করা হয়েছে। ১৯৯৫ সালের ২৬ জুলাই একাডেমি একটি টাস্কফোর্স গঠন করে। সে টাস্কফোর্স সুপারিশসহ সিদ্ধান্ত দেয়, ‘গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জির অধিবর্ষ যে বাংলা বছরের ফাল্গুন মাস পড়বে, সেই বাংলা বছরকে অধিবর্ষরূপে গণ্য করা হবে; ১৪০২ সালের ১ বৈশাখ থেকে এটি কার্যকর হবে এবং তারিখ পরিবর্তনের সময় হবে আন্তর্জাতিক রীতি অনুযায়ী রাত ১২টায়।’ বাংলা বর্ষপঞ্জি তৃতীয় দফায় সংস্কার হয় ২০১৭ সালে (বাংলা ১৪২৪ সন)। গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের (ইংরেজি ক্যালেন্ডার) সঙ্গে বাংলা বর্ষপঞ্জির বিশেষ দিনগুলোর বিভিন্ন ব্যত্যয় দূর করে তা আরও বিজ্ঞানভিত্তিক করা হয়। এর মানে হলো, ১৯৯৫ সাল থেকে যদি আপনি রাত ১২টায় কাউকে শুভ নববর্ষের (subho noboborsho) শুভেচ্ছা জানিয়ে থাকেন, তা কোনোভাবেই ভুল হবে না। কৌশলগতভাবে এটা মোটেও ভুল নয়।
আরও পড়ুন : বাংলার নবাবী শাসন জড়িয়ে রয়েছে হালখাতার সঙ্গে, নববর্ষের আগে এর ইতিহাস সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক

বলা বাহুল্য, মুঘল সম্রাট আকবরের সময়কাল থেকে পহেলা বৈশাখ উদযাপন শুরু হয়। আকবরের শাসনকালে তৎকালীন চন্দ্র নির্ভরশীল হিজরি সনের কৃষিকাজের সঙ্গে, অর্থাৎ ফসল উৎপাদনের সঙ্গে বিশেষ মিল না থাকায় সম্রাট আকবর পুনরায় পঞ্জিকা সংস্কারের নির্দেশ দেন। কৃষিকাজের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পঞ্জিকা নির্মাণ হয়। পরবর্তী কালে তা বঙ্গাব্দ বা বাংলা বর্ষ (noboborsho) নামে প্রচলিত হয়। তখন প্রত্যেককে বাংলা চৈত্র মাসের শেষ দিনের মধ্যে সব খাজনা, মাশুল ও শুল্ক পরিশোধ করতে হতো। এরপর দিন অর্থাৎ পহেলা বৈশাখে ভূমির মালিকরা নিজ নিজ অঞ্চলের অধিবাসীদেরকে মিষ্টান্ন দ্বারা আপ্যায়ন করতেন। এ উপলক্ষে বিভিন্ন উৎসবের আয়োজন করা হত। আর সেই উৎসবটি একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে পরিণত হয়।
- Related topics -
- অন্যান্য
- পুজো ও উৎসব
- নববর্ষ









