Tutu Bose | প্রয়াত ময়দানের মহীরুহ টুটু বসু, সবুজ-মেরুনের এক যুগের অবসান

Key Highlightsমঙ্গলবার কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন মোহনবাগান রত্ন টুটু বস। সোমবার দুপুরে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পর তাঁকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছিল। চিকিৎসকদের আপ্রাণ চেষ্টা ব্যর্থ করে চিরবিদায় নিলেন আধুনিক মোহনবাগানের এই রূপকার। নাতি অরিঞ্জয় বসু শোকবার্তায় লিখেছেন, “গভীর শোকের সঙ্গে জানাচ্ছি যে টুটু বসু আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। তিনি ছিলেন সেরা বাবা ও ঠাকুরদা, এক অসাধারণ প্রশাসক এবং সবার জন্য এক শক্তিশালী স্তম্ভ। আমাদের জীবনের সত্যিকারের এক বটবৃক্ষ।”মঙ্গলবার কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন মোহনবাগান রত্ন টুটু বস। সোমবার দুপুরে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পর তাঁকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছিল। চিকিৎসকদের আপ্রাণ চেষ্টা ব্যর্থ করে চিরবিদায় নিলেন আধুনিক মোহনবাগানের এই রূপকার। নাতি অরিঞ্জয় বসু শোকবার্তায় লিখেছেন, “গভীর শোকের সঙ্গে জানাচ্ছি যে টুটু বসু আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। তিনি ছিলেন সেরা বাবা ও ঠাকুরদা, এক অসাধারণ প্রশাসক এবং সবার জন্য এক শক্তিশালী স্তম্ভ। আমাদের জীবনের সত্যিকারের এক বটবৃক্ষ।”
না ফেরার দেশে মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতি স্বপনসাধন বসু (টুটু)। সোমবার দুপুরে মধ্যাহ্নভোজ সারার পর ঘুমোতে গিয়েছিলেন টুটু বসু। নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও ঘুম থেকে না ওঠায় পরিবারের উদ্বেগ বাড়তে শুরু করে। হাসপাতালে ভর্তির পর চিকিৎসকরা জানান, তাঁর ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাক হয়েছে। রাত অবধি তাঁকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছিল। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার রাত ১১.৪৫-এ দ্বিতীয়বার হার্ট অ্যাটাক হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি।
মোহনবাগান কর্তা হিসেবে টুটু বসুর কেরিয়ার: ১৯৯১ সালে প্রথমবার মোহনবাগানের সচিব হন টুটু বসু। ১৯৯১ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত মোহনবাগান ক্লাবের সচিব ছিলেন তিনি। ১৯৯৫ সালে শতাব্দীপ্রাচীন এই ক্লাবের সভাপতি হন। ২০১৮ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ সময় সভাপতির পদ অলঙ্কৃত করেছেন তিনি। ২০১৮ সালে ফের ক্লাবের তরফে তাঁকে সচিব হিসেবে নির্বাচন করা হয়। এরপর ২০২০-২২ এবং ২০২২-২০২৫, এই দুই দফায় ফের তিনি ক্লাব সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। তাঁর আমলেই বিদেশি ফুটবলার না খেলানোর নিয়ম পরিবর্তন হয় মোহনবাগানে। প্রথম বিদেশি হিসেবে চিমা ওকেরিকে সই করিয়ে ভারতীয় ফুটবলে আলোড়ন ফেলে দিয়েছিলেন তিনি। ATK-র সঙ্গে সংযুক্তিকরণের নেপথ্যেও তাঁর হাত ছিল। মোহনবাগান রত্ন সম্মানও দেওয়া হয় টুটু বসুকে। সংবাদ প্রতিদিনের কর্ণধার ছিলেন তিনি। রাজ্যসভায় তৃণমূলের সাংসদও ছিলেন।
শুধু মোহনবাগান নয়, এই প্রবীণ শাসকের প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গল এবং মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের কর্তারাও। শোকের ছায়া ময়দানে।









