Mahua Moitra Expelled | বহিস্কৃত মহুয়া মৈত্র! লোকসভায় মহুয়া মৈত্রের সাংসদ পদ খারিজ! এথিক্স কমিটির রিপোর্টই মান্যতা পেল!

Friday, December 8 2023, 11:18 am
Mahua Moitra Expelled | বহিস্কৃত মহুয়া মৈত্র! লোকসভায় মহুয়া মৈত্রের সাংসদ পদ খারিজ! এথিক্স কমিটির রিপোর্টই মান্যতা পেল!
highlightKey Highlights

লোকসভা থেকে বহিষ্কার করা হল মহুয়া মৈত্রকে। প্রশ্নঘুষ’কাণ্ডে সাংসদ মহুয়া মৈত্রের লোকসভার সাংসদ পদ খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। এথিক্স কমিটির রিপোর্ট পেশের পর শুক্রবার বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।


লোকসভা থেকে বহিষ্কার করা হল মহুয়া মৈত্রকে! মহুয়া মৈত্রের লোকসভার সাংসদ পদ খারিজ। এথিক্স কমিটির রিপোর্টকেই মান্যতা দিলেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা (Om Birla)। ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন করার অভিযোগ উঠেছিল কৃষ্ণনগরের সাংসদ  মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra)-র বিরুদ্ধে। এথিক্স কমিটি (Ethics Committee)র রিপোর্টে মহুয়া মৈত্রের সাংসদ পদ খারিজের সুপারিশ করা হয়েছিল। পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের পরামর্শও দেওয়া হয়েছিল। আজ, ৮ই ডিসেম্বর, শুক্রবার লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এথিক্স কমিটির রিপোর্ট পর্যালোচনা করে মহুয়া মৈত্রের সাংসদ পদ খারিজ করে দেন।

প্রশ্নঘুষ’কাণ্ডে লোকসভা থেকে বহিষ্কার করা হল মহুয়া মৈত্রকে
প্রশ্নঘুষ’কাণ্ডে লোকসভা থেকে বহিষ্কার করা হল মহুয়া মৈত্রকে

এদিন দুপুরে সংসদের লোকসভায় পেশ করা হয় এথিক্স কমিটি (Ethics Committee)র রিপোর্ট। দুপুর ২টো থেকে এথিক্স কমিটির রিপোর্ট নিয়ে আলোচনা শুরু হয় সংসদে। কংগ্রেসের অধীর রঞ্জন চৌধুরী থেকে শুরু করে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এথিক্স কমিটির রিপোর্টকে অগ্রহণযোগ্য বলে দাবি করেন। সংসদে টিএমসি এমপি মহুয়া মৈত্র (TMC MP Mahua Moitra)কে বলার সুযোগ দেওয়ারও দাবি করা হয়। কিন্তু লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা মহুয়া মৈত্রকে বলার সুযোগ দেননি। ওম বিড়লা (Om Birla) জানান, মহুয়া আগে নিজের বক্তব্য জানানোর সুযোগ পেয়েছিলেন। তাই আবার তাঁকে সুযোগ দেওয়া হবে না। পুরনো উদাহরণ টেনে এই যুক্তি দেন স্পিকার। মহুয়া বলার জন্য একাধিক বার উঠে দাঁড়ান। কিন্তু তাঁকে বসিয়ে দেওয়া হয়।

Trending Updates

এদিকে মহুয়া মৈত্রকে কথা বলার সুযোগ দেওয়া নিয়ে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, তৃণমূলের তরফে তিনি কথা বলবেন না। কথা বলবেন মহুয়া নিজে। পাশাপাশি কংগ্রেস সাংসদ মনীশ তিওয়ারি বলেন, ১২টায় রিপোর্ট পেশ করে ২টোয় তা নিয়ে আলোচনা স্বাভাবিক নয়। তিন-চার দিন রিপোর্ট পড়ার জন্য সময় দিলে পৃথিবী উল্টে যাবে না। বিচারব্যবস্থার সাধারণ নিয়ম এখানে মানা হচ্ছে না। যাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাঁকে কথাই বলতে দেওয়া হচ্ছে না। তা ছাড়া, এথিক্স কমিটি শুধু সুপারিশ করতে পারে। কী সাজা হবে, তা তারা ঠিক করে দিতে পারে না। সঙ্গে অধীর লোকসভায় স্পিকারের উদ্দেশে বলেন, এত বড় চিঠি এত কম সময়ে পড়া সম্ভব নয়। ভাল করে পড়ে এটা নিয়ে চর্চা করা উচিত। আদালতেও কারও সাজা হলে বিচারক আসামির বক্তব্য শোনেন। কারও বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ থাকলে, তাঁকে বলার সুযোগ দেওয়া উচিত। তবে টিএমসি এমপি মহুয়া মৈত্র (TMC MP Mahua Moitra)কে বলার সুযোগ দিলেন না স্পিকার ওম বিড়লা।

বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও লোকসভায় মহুয়া মৈত্রকে কিছু বলতেও দেওয়া হলো না 
বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও লোকসভায় মহুয়া মৈত্রকে কিছু বলতেও দেওয়া হলো না 

এদিন দুপুর ১২টায় তৃণমূল সাংসদের বিরুদ্ধে রিপোর্ট পেশ করেন লোকসভার এথিক্স কমিটির প্রধান তথা বিজেপি (BJP) সাংসদ বিজয় সোনকার। জল্পনা মতোই ওই রিপোর্টে মহুয়ার সাংসদ পদ খারিজ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। যদিও রিপোর্টটি পেশের পরই চূড়ান্ত হট্টগোল শুরু হয়ে যায়। যার জেরে অধিবেশন দুপুর দুটো পর্যন্ত মূলতুবি করে দিতে হয়। তবে অধিবেশন ফের শুরু হতেই মহুয়া ইস্যুতে ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্পিকার। বলে দেন, সংসদের মর্যাদাহানি হোক, এমন কোনও বিষয়ই মেনে নেওয়া হবে না। প্রয়োজনে অনেক কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে হয়। একইসঙ্গে এনিয়ে আলোচনার জন্য আধঘণ্টা সময় বেঁধে দেন ওম বিড়লা। লোকসভার সদস্যদের উদ্দেশ্যে স্পিকারের আর্জি, সকলে যেন তাঁদের প্রশ্ন নিজেই তৈরি করেন। অন্য কাউকে প্রশ্ন তৈরি করতে যেন দেওয়া না হয়। এই নিয়ম না মানলে তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেন স্পিকার।

এথিক্স কমিটির রিপোর্টেই সিলমোহর দেন স্পিকার ওম বিড়লা
এথিক্স কমিটির রিপোর্টেই সিলমোহর দেন স্পিকার ওম বিড়লা

প্রশ্নঘুষ’কাণ্ডে সাংসদ মহুয়া মৈত্রের লোকসভার সাংসদ পদ খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। এথিক্স কমিটির রিপোর্ট পেশের পর শুক্রবার বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। স্পিকার এ বিষয়ে ভোটাভুটির মাধ্যমে প্রস্তাব পাশ করান লোকসভায়। সাংসদের পদ খোয়ানোর পর বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করেন  মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra)। তিনি জানান, এথিক্স কমিটি ভাল করে যাচাই না করেই তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষের করেছে এবং শাস্তি নিশ্চিত করেছে। টাকা নেওয়া বা উপহার নেওয়ার কোনও প্রমাণ নেই।




পিডিএফ ডাউনলোড | Print or Download PDF File