Ganesh Chaturthi | বাঁ, ডান নাকি সোজা! গণেশের শুঁড়ের দিকে কেন এমন বৈচিত্র্য? গৃহস্থের জন্য কোনটি সেরা?

Key Highlightsগণেশ চতুর্থী একটি অত্যন্ত পবিত্র উৎসব। স্কন্দপুরাণ অনুসারে, ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথিতে সিদ্ধিদাতা গণেশের জন্ম হয়েছিল। বিশ্বাস করা হয়, এই বিশেষ দিনে ভক্তদের আশীর্বাদ করতে এবং সমস্ত বাধা-বিঘ্ন দূর করতে মর্ত্যে আগমন করেন শ্রী গজানন। গণেশের আশীর্বাদে অর্থনৈতিক সমস্যা দূর হয় এবং পরিবারে সুখ-সমৃদ্ধি বজায় থাকে। তবে গণেশ মূর্তি ক্রয়ের সময় একটি বিষয় অনেকেই খেয়াল করেন-তা হলো গণেশের শুঁড়ের দিক। মূর্তির শুঁড় কখনো সোজা, কখনো বাঁ দিকে, আবার কখনো ডান দিকে থাকে। শাস্ত্র মতে, প্রতিটি শুঁড়ের দিকের রয়েছে ভিন্ন গুরুত্ব ও তাৎপর্য। জেনে নেওয়া যাক শুঁড়ের দিক অনুযায়ী গণেশ মূর্তির তাৎপর্য-
গণেশ চতুর্থী একটি অত্যন্ত পবিত্র উৎসব। স্কন্দপুরাণ অনুসারে, ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথিতে সিদ্ধিদাতা গণেশের জন্ম হয়েছিল। বিশ্বাস করা হয়, এই বিশেষ দিনে ভক্তদের আশীর্বাদ করতে এবং সমস্ত বাধা-বিঘ্ন দূর করতে মর্ত্যে আগমন করেন শ্রী গজানন। গণেশের আশীর্বাদে অর্থনৈতিক সমস্যা দূর হয় এবং পরিবারে সুখ-সমৃদ্ধি বজায় থাকে। তবে গণেশ মূর্তি ক্রয়ের সময় একটি বিষয় অনেকেই খেয়াল করেন-তা হলো গণেশের শুঁড়ের দিক। মূর্তির শুঁড় কখনো সোজা, কখনো বাঁ দিকে, আবার কখনো ডান দিকে থাকে। শাস্ত্র মতে, প্রতিটি শুঁড়ের দিকের রয়েছে ভিন্ন গুরুত্ব ও তাৎপর্য। জেনে নেওয়া যাক শুঁড়ের দিক অনুযায়ী গণেশ মূর্তির তাৎপর্য-
বাঁ দিকে শুঁড়যুক্ত গণেশ (বামমুখী গণেশ) :
বাসগৃহ বা সংসারের জন্য বাঁ দিকে শুঁড় থাকা গণেশ মূর্তি সবচেয়ে শুভ বলে মনে করা হয়। একে "বামমুখী গণেশ" বলা হয়। এই মূর্তির পুজো করলে সংসারে সুখ, শান্তি ও আর্থিক সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পায়। সাধারণ নিয়মকানুন মেনে সহজেই এই মূর্তির নিত্যপুজো করা যায়।

ডান দিকে শুঁড়যুক্ত গণেশ (সিদ্ধিবিনায়ক) :
ডান দিকে শুঁড়যুক্ত গণেশ মূর্তিকে "সিদ্ধিবিনায়ক" বলা হয়। এটি মোক্ষ, স্বাধীনতা এবং বৈরাগ্যের প্রতীক। এই মূর্তির পুজো অত্যন্ত ফলদায়ক হলেও এর নিয়মকানুন অত্যন্ত কঠোর। সঠিক শাস্ত্রীয় আচার ও নিয়ম মেনে পুজো না করলে বিপরীত ফল হতে পারে বলে বিশ্বাস করা হয়। তাই এটি প্রধানত মন্দির বা বিশেষ সাধনার স্থানে দেখা যায়।
সোজা শুঁড়যুক্ত গণেশ :
সোজা শুঁড়ের গণেশ মূর্তি বেশ বিরল। শাস্ত্র মতে, সোজা শুঁড় শরীরের সকল অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ও শক্তির মধ্যে সামঞ্জস্য ও ঐক্যের প্রতিনিধিত্ব করে। সোজা শুঁড়যুক্ত গণেশের পুজো করলে জাগতিক মোহমায়া ও মানসিক বিভ্রান্তি কাটিয়ে আধ্যাত্মিক উন্নতি লাভ করা সম্ভব হয়।

জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুযায়ী, যদি কেউ রাহু বা কেতুর মতো গ্রহের দোষে ভুগে থাকেন, তবে গণেশ চতুর্থীর দিন গণপতির বিশেষ আরাধনা অত্যন্ত ফলদায়ক। একদিনের ভক্তিপূর্ণ পুজো ও মন্ত্র জপেই জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যায় এবং সাফল্যের পথ সুগম হয়।
- Related topics -
- অন্যান্য
- পুজো ও উৎসব
- গণেশ চতুর্থী









