Ganesh Chaturthi | কেন গণেশ পুজোয় দেওয়া হয় না তুলসী? নেপথ্যে কোন পুরাণ কাহিনি?

Key Highlightsভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথিতে সিদ্ধিদাতা গণেশের বিশেষ কৃপা পেতে ভক্তরা তাঁর প্রিয় মোদক, লাল ফুল এবং ২১টি দূর্বা দিয়ে পরম ভক্তিভরে আরাধনা করেন। তবে হিন্দু ধর্মে তুলসী পাতাকে অত্যন্ত পবিত্র মনে করা হলেও, গণপতির আরাধনায় তুলসী অর্পণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এক অভিশাপের কারণে গণেশ পুজোয় তুলসী ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়। জানুন নেপথ্যে কোন কাহিনী?
ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথিতে সিদ্ধিদাতা গণেশের কৃপা পেতে ভক্তরা তাঁর প্রিয় মোদক, লাল ফুল এবং ২১টি দূর্বা দিয়ে আরাধনা করেন। তবে হিন্দু ধর্মে তুলসী পাতাকে অত্যন্ত পবিত্র মনে করা হলেও, গণপতির আরাধনায় তুলসী অর্পণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। জানুন নেপথ্যে কোন কাহিনী?
পৌরাণিক কাহিনি ও অভিশাপের নেপথ্য :
পদ্মপুরাণ ও গণেশ পুরাণ অনুসারে, একদা গঙ্গাতীরে ভগবান গণেশ গভীর ধ্যানে মগ্ন ছিলেন। সেই সময় দেবী তুলসী তাঁর রূপ ও ব্যক্তিত্বে মুগ্ধ হয়ে গণেশকে বিবাহের প্রস্তাব দেন। কিন্তু ব্রহ্মচর্য পালনকারী গণেশ অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। প্রত্যাখ্যাত হয়ে দেবী তুলসী ক্রুদ্ধ হন এবং অভিশাপ দেন যে গণেশের ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাঁর দুটি বিবাহ হবে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে গণেশও পাল্টা অভিশাপ দেন, দেবী তুলসীর বিবাহ কোনো দেবতার সঙ্গে নয়, বরং এক অসুরের সঙ্গে হবে।

ক্ষমা ও শ্রীহরির আশীর্বাদ :
ভুল অনুধাবন করে দেবী তুলসী গণেশের চরণে ক্ষমা চাইলে দয়ালু গণপতি তাঁকে ক্ষমা করেন। তিনি বর দেন যে, পরবর্তীতে তুলসী অসুর জলন্ধরের স্ত্রী হলেও শেষ পর্যন্ত ভগবান বিষ্ণুর অত্যন্ত প্রিয় ও পূজনীয় স্থান পাবেন। শ্রীহরি বিষ্ণুর পুজো তুলসী ছাড়া অসম্পূর্ণ হলেও, প্রাচীন অভিশাপের স্মৃতির কারণে গণেশ পুজোয় তুলসী বর্জনের নিয়ম পালন করা হয়।
তুলসীর পরিবর্তে গণেশ পুজোয় দূর্বা ঘাস ও রক্তচন্দনের গুরুত্ব অপরিসীম। পৌরাণিক কথা অনুযায়ী, অনলাসুর নামক রাক্ষসকে গ্রাস করার পর গণেশের শরীরের তীব্র দাহ শমিত করতে ঋষি কশ্যপ তাঁকে ২১টি দূর্বা খেতে দিয়েছিলেন। তাই আজও বাপ্পার আরাধনায় দূর্বাই শ্রেষ্ঠ উপহার।
- Related topics -
- অন্যান্য
- পুজো ও উৎসব
- গণেশ চতুর্থী









