Diwali | কেন দীপাবলির রাতে বাংলায় হয় কালীপুজো? জানুন এর নেপথ্যে কারণ ও ইতিহাস!

Key Highlightsভারতের বিভিন্ন প্রান্তে যখন আলো, প্রদীপ ও আতশবাজির মাধ্যমে উদযাপিত হয় দিওয়ালি বা দীপাবলি (diwali or deepavali), তখন বাংলার উৎসবের ছবিতে দেখা যায় এক বিশেষ বৈচিত্র্য। দেশের বহু জায়গায় এই রাতে দেবী লক্ষ্মী ও ভগবান গণেশের আরাধনা করা হলেও পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা এবং অসমের বিভিন্ন অঞ্চলে কার্তিক মাসের অমাবস্যার রাতে ভক্তরা মেতে ওঠেন মা কালীর উপাসনায়। মন্দির থেকে শুরু করে বাড়ির পুজো এবং বড় বড় বারোয়ারি মণ্ডপ-সর্বত্রই দেখা যায় কালী মা (kali maa)-এর আরাধনাকে ঘিরে বিশেষ আয়োজন।
ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে যখন আলো, প্রদীপ ও আতশবাজির মাধ্যমে উদযাপিত হয় দিওয়ালি বা দীপাবলি (diwali or deepavali), তখন বাংলার উৎসবের ছবিতে দেখা যায় এক বিশেষ বৈচিত্র্য। দেশের বহু জায়গায় এই রাতে দেবী লক্ষ্মী ও ভগবান গণেশের আরাধনা করা হলেও পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা এবং অসমের বিভিন্ন অঞ্চলে কার্তিক মাসের অমাবস্যার রাতে ভক্তরা মেতে ওঠেন মা কালীর উপাসনায়। মন্দির থেকে শুরু করে বাড়ির পুজো এবং বড় বড় বারোয়ারি মণ্ডপ-সর্বত্রই দেখা যায় কালী মা (kali maa)-এর আরাধনাকে ঘিরে বিশেষ আয়োজন।
প্রতি বছর দীপাবলির রাতে বাংলার আকাশ আলোকসজ্জা, প্রদীপ ও উৎসবের আমেজে ভরে ওঠে। তবে এই উৎসব শুধু আলো জ্বালানো বা প্রতিমা দর্শনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বাংলার শাক্ত ধর্মীয় ঐতিহ্য, তন্ত্রসাধনা, পৌরাণিক বিশ্বাস এবং কয়েক শতকের ইতিহাস। দিওয়ালি ২০২৬ (diwali 2026) উপলক্ষে জেনে নেওয়া যাক কেন দীপাবলির রাতেই বাংলায় বিশেষভাবে মা কালী (maa kali)-এর আরাধনা করা হয় এবং কীভাবে এই পুজো বাঙালির অন্যতম প্রধান উৎসবে পরিণত হয়েছে।

দিওয়ালি ও কালীপুজোর সম্পর্ক: কেন একই দিনে হয় দুই উৎসব?
দীপাবলি বা দীপান্বিতা অমাবস্যা হিন্দু ধর্মের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎসব। হিন্দু চান্দ্র পঞ্জিকা অনুযায়ী কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে এই উৎসব পালিত হয়। তবে ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে দীপাবলি উদযাপনের পেছনে রয়েছে আলাদা আলাদা ধর্মীয় বিশ্বাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য।
উত্তর ভারতের বহু জায়গায় দীপাবলি ভগবান রামের অযোধ্যায় প্রত্যাবর্তনের স্মরণে উদযাপিত হয়। আবার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এই দিন দেবী লক্ষ্মী ও ভগবান গণেশের পুজো বিশেষ গুরুত্ব পায়। অন্যদিকে, বাংলার ধর্মীয় সংস্কৃতিতে কার্তিক অমাবস্যার রাত বিশেষভাবে পরিচিত দীপান্বিতা কালীপুজো বা শ্যামাপুজো হিসেবে।
শাক্ত ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, মা কালী হলেন আদ্যাশক্তির এক শক্তিশালী প্রকাশ। তিনি অশুভ শক্তির বিনাশ, সময়, পরিবর্তন এবং সৃষ্টির অন্তর্নিহিত শক্তির প্রতীক। অমাবস্যার অন্ধকার রাতে তাঁর আরাধনার মাধ্যমে ভক্তরা অশুভের বিনাশ এবং শুভশক্তির জাগরণের প্রার্থনা করেন। দীপাবলির সঙ্গে কালীপুজোর এই সম্পর্ক মূলত বাংলার নিজস্ব ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ফল। তাই একই অমাবস্যার রাতে দেশের কোথাও লক্ষ্মীপুজো, আবার বাংলায় কালীপুজো বিশেষ গুরুত্ব পায়।
বাংলায় কালীপুজোর ইতিহাস: কখন থেকে শুরু এই ঐতিহ্য?
বাংলায় কালীপুজোর প্রচলন ঠিক কবে শুরু হয়েছিল, তা নিয়ে ঐতিহাসিকদের মধ্যে বিভিন্ন আলোচনা রয়েছে। তবে বাংলায় দেবী কালীর উপাসনার ইতিহাস বহু পুরনো। বিশেষ করে মধ্যযুগে পূর্ব ভারতে শাক্ত ধর্ম ও তন্ত্রসাধনার প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে কালী আরাধনার গুরুত্ব বৃদ্ধি পায়।
ঐতিহাসিক গবেষণায় দেখা যায়, ষোড়শ শতক নাগাদ পূর্ব ভারতে শাক্ত তন্ত্রের প্রভাব বিশেষভাবে বিস্তার লাভ করে। পরবর্তী সময়ে সপ্তদশ শতক থেকে কালীপুজো আরও বেশি করে জনসমাজ ও উৎসবের পরিসরে প্রবেশ করতে শুরু করে।

এই প্রসঙ্গে কৃষ্ণানন্দ আগমবাগীশের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তিনি ছিলেন বাংলার একজন বিশিষ্ট তন্ত্রসাধক ও পণ্ডিত। প্রচলিত ঐতিহ্য অনুযায়ী, বাংলায় মা কালীর পরিচিত মূর্তিরূপে উপাসনার প্রসারে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। তাঁর সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন কাহিনি বাংলার কালীসাধনার ইতিহাসে বিশেষ স্থান অধিকার করে রয়েছে। যদিও কালী আরাধনার সূচনা তাঁর হাতেই হয়েছিল, এমন দাবি করার যথেষ্ট ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মন্দির, রাজপরিবার, জমিদারবাড়ি এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলির উদ্যোগে কালীপুজোর প্রসার ঘটে। এভাবেই ধীরে ধীরে বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলে মা কালীর উপাসনা আরও জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের ভূমিকা: বাংলায় কালীপুজোর প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান
বাংলায় কালীপুজোর ইতিহাসে নদিয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের (১৭১০–১৭৮২) নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। অষ্টাদশ শতকে তাঁর পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলায় শাক্ত ধর্মীয় আচার ও কালীপুজোর প্রসার আরও বৃদ্ধি পায়। ঐতিহাসিক গবেষক জে. ই. বোর্দোর গবেষণায় দেখা যায়, রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের মতো প্রভাবশালী শাসক এবং অভিজাত শ্রেণির পৃষ্ঠপোষকতা কালীপুজোকে বৃহত্তর সামাজিক ও ধর্মীয় পরিসরে প্রতিষ্ঠিত করতে সাহায্য করেছিল।
সেই সময় ধনী জমিদার ও রাজপরিবারগুলির উদ্যোগে বিভিন্ন স্থানে কালীপুজোর আয়োজন করা হত। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি এই পুজোগুলি সামাজিক মর্যাদা ও সাংস্কৃতিক পরিচয়েরও অংশ হয়ে উঠেছিল। পরবর্তী সময়ে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কালীপুজো আরও বিস্তৃত সামাজিক উৎসবে পরিণত হয়। তবে রাজা কৃষ্ণচন্দ্র একাই কালীপুজোর প্রচলন করেছিলেন, এমনটা বলা ঐতিহাসিকভাবে সঠিক নয়। তাঁর আগেও বাংলায় কালী আরাধনা ও শাক্ত উপাসনার দীর্ঘ ঐতিহ্য ছিল। বরং তাঁর পৃষ্ঠপোষকতা এই উপাসনাকে আরও জনপ্রিয় করে তুলতে সাহায্য করেছিল।

রামপ্রসাদ সেন ও কমলাকান্ত: বাঙালির ঘরের মা হয়ে উঠলেন কালী
বাংলায় মা কালী (maa kali)-এর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে শাক্ত পদাবলি ও ভক্তিমূলক সংগীতের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রসঙ্গে অষ্টাদশ শতকের দুই বিশিষ্ট শাক্ত কবি রামপ্রসাদ সেন এবং কমলাকান্ত ভট্টাচার্যের নাম বিশেষভাবে উল্লেখ করতে হয়। রামপ্রসাদ সেন তাঁর শ্যামাসংগীতের মাধ্যমে দেবী কালীর এক স্নেহময়ী মাতৃরূপ তুলে ধরেছিলেন। তাঁর গানে মা কালীর সঙ্গে ভক্তের সম্পর্ককে মা ও সন্তানের সম্পর্কের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। ফলে দেবী কালী শুধু শক্তির প্রতীক বা তন্ত্রসাধনার আরাধ্য দেবী হিসেবেই নয়, সাধারণ মানুষের আপনজন হিসেবেও জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। পরবর্তী সময়ে কমলাকান্ত ভট্টাচার্যও শ্যামাসংগীতের ধারাকে সমৃদ্ধ করেন। তাঁদের ভক্তিমূলক রচনার মাধ্যমে বাংলার ঘরে ঘরে মা কালীর প্রতি ভক্তি ও আবেগ আরও গভীর হয়।
এছাড়া উনিশ শতকে দক্ষিণেশ্বরের সাধক শ্রী রামকৃষ্ণের কালীসাধনাও বাংলায় মা কালীর ভক্তিমূলক উপাসনাকে বিশেষ পরিচিতি দেয়। তাঁর সাধনা ও জীবনদর্শনের মাধ্যমে দেবী কালীর মাতৃরূপ এবং আধ্যাত্মিক তাৎপর্য নতুনভাবে আলোচিত হয়।
শাক্ত ধর্ম ও তন্ত্রসাধনার সঙ্গে কালীপুজোর গভীর সম্পর্ক
বাংলার ধর্মীয় সংস্কৃতিতে শাক্ত ধর্মের প্রভাব অত্যন্ত গভীর। শাক্ত মত অনুযায়ী, দেবীই হলেন পরম শক্তির প্রকাশ। মা দুর্গা, কালী, তারা-সহ বিভিন্ন দেবীর রূপের মাধ্যমে এই আদ্যাশক্তির উপাসনা করা হয়। বিশেষ করে কালী মা (kali maa)-এর আরাধনার সঙ্গে তন্ত্রসাধনার একটি দীর্ঘ ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। তন্ত্রসাধনায় দেবী কালীর রূপকে সময়, মৃত্যু, পরিবর্তন এবং জাগতিক মায়ার ঊর্ধ্বে থাকা পরম শক্তির প্রতীক হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়।
কার্তিক অমাবস্যার রাত অনেক শাক্ত ও তান্ত্রিক সাধকের কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। এই রাতে মন্ত্রসাধনা, ধ্যান এবং বিভিন্ন ধর্মীয় আচার পালন করা হয়। অনেকের বিশ্বাস, এই বিশেষ তিথিতে দেবীর আরাধনা করলে জীবনের বাধা-বিপত্তি দূর হয় এবং আধ্যাত্মিক উন্নতির পথ প্রশস্ত হয়। তবে মনে রাখা প্রয়োজন, বাংলার সব কালীপুজোই তান্ত্রিক পদ্ধতিতে সম্পন্ন হয় না। সাধারণ পরিবার, মন্দির এবং বারোয়ারি পুজোয় প্রচলিত বিভিন্ন শাস্ত্রীয় ও পারিবারিক রীতি মেনেও দেবীর আরাধনা করা হয়।
কালীপুজোর বিশেষ আচার-অনুষ্ঠান: ভূত চতুর্দশী থেকে ভোগ নিবেদন
বাংলায় কালীপুজো শুধু দেবীর আরাধনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে একাধিক সামাজিক, পারিবারিক ও লোকাচার।
১. ভূত চতুর্দশী ও ১৪ প্রদীপের ঐতিহ্য : কালীপুজোর আগের দিন পালিত হয় ভূত চতুর্দশী। প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, এই দিনে বাড়ির বিভিন্ন স্থানে ১৪টি প্রদীপ জ্বালানো হয়। অনেক পরিবারে ১৪ রকম শাক খাওয়ার প্রথাও রয়েছে। লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, এই আচার অশুভ শক্তি দূরে রাখা এবং পূর্বপুরুষদের স্মরণ করার সঙ্গে যুক্ত।
২. প্রদীপ ও আলোকসজ্জা : কালীপুজোর রাতে বাড়ি, মন্দির এবং পুজোমণ্ডপ প্রদীপ, মোমবাতি ও বৈদ্যুতিক আলোয় সাজানো হয়। অমাবস্যার অন্ধকারে অসংখ্য প্রদীপের আলো দীপাবলির উৎসবকে বিশেষ মাত্রা দেয়। এর মধ্যে দিয়ে অন্ধকারের অবসান এবং আলোর আগমনের প্রতীকী বার্তা প্রকাশ পায়।
৩. মা কালীর ভোগ নিবেদন : কালীপুজোয় দেবীকে বিভিন্ন ধরনের ভোগ নিবেদন করা হয়। স্থান ও পারিবারিক রীতি অনুযায়ী খিচুড়ি, ফল, মিষ্টি, লুচি, নানা রকম ভাজা এবং অন্যান্য খাবার দেওয়া হয়। কিছু মন্দির ও পুজোয় মাছ বা আমিষ ভোগের প্রচলনও রয়েছে। আবার বহু জায়গায় সম্পূর্ণ নিরামিষ ভোগ নিবেদন করা হয়।
৪. বলিপ্রথা ও প্রতীকী আচার : বাংলার কিছু কালীমন্দির ও ঐতিহ্যবাহী পুজোয় পশুবলির প্রথা রয়েছে। অন্যদিকে অনেক মন্দির ও পারিবারিক পুজোয় ফল বা সবজি বলির মাধ্যমে প্রতীকী আচার পালন করা হয়। অঞ্চল, মন্দির এবং পারিবারিক রীতির ভিত্তিতে এই প্রথার পার্থক্য দেখা যায়।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাংলার কালীপুজোর ধরনেও অনেক পরিবর্তন এসেছে। একসময় মূলত মন্দির, জমিদারবাড়ি ও পারিবারিক উদ্যোগে এই পুজোর আয়োজন করা হলেও বর্তমানে বিভিন্ন ক্লাব ও বারোয়ারি কমিটির উদ্যোগে বড় আকারে কালীপুজো অনুষ্ঠিত হয়। বর্তমানে কালীপুজো শুধু ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, বাংলার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবনেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটানো, নতুন পোশাক পরা, মণ্ডপে মণ্ডপে ঘোরা এবং আলোর উৎসবে অংশ নেওয়ার মধ্য দিয়ে উৎসবটি নতুন প্রজন্মের কাছেও বিশেষ আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।
দীপাবলির রাতে বাংলায় কালীপুজো হওয়ার পিছনে রয়েছে দীর্ঘ ধর্মীয়, ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। শাক্ত ধর্মের প্রসার, তন্ত্রসাধনার প্রভাব, রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের মতো শাসকদের পৃষ্ঠপোষকতা এবং রামপ্রসাদ সেন ও কমলাকান্ত ভট্টাচার্যের ভক্তিমূলক সংগীত—সব মিলিয়ে মা কালীর আরাধনা বাংলার মানুষের জীবনে বিশেষ স্থান করে নিয়েছে। তাই বাঙালির কাছে দীপাবলি শুধু প্রদীপ জ্বালানোর উৎসব নয়, এটি শক্তির আরাধনা এবং মা কালীর প্রতি ভক্তি প্রকাশেরও এক বিশেষ উপলক্ষ। কার্তিক অমাবস্যার অন্ধকার রাতে প্রদীপের আলো, মন্ত্রোচ্চারণ এবং ভক্তির আবহে প্রতি বছর নতুন করে উদযাপিত হয় বাংলার এই নিজস্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য—কালীপুজো।
- Related topics -
- অন্যান্য
- পুজো ও উৎসব
- কালীপূজা
- দীপাবলি









